• সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
গাইবান্ধার ফুলছড়িতে চুলার আগুনে অগ্নিকাণ্ড: তিন গবাদিপশুর মৃত্যু, ক্ষতি প্রায় পাঁচ লাখ টাকা 🔒 ব্যক্তিগত কথোপকথন ফাঁস: সাংবাদিকতার নামে গোপনীয়তা লঙ্ঘন। গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় বজ্রপাতে এক পরিশ্রমী কৃষকের করুণ মৃত্যু হয়েছে। হঠাৎ মৃত্যুতে পরিবার ও গ্রামে নেমে এসেছে গভীর শোক। আজ শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ফুলছড়ি উপজেলায় গণসংযোগ সহ ১৬ টি মন্দির পরিদর্শনওসার্বিক খোঁজ খবর সহ আর্থিক সহযোগিতা করেন। ভালুকা জামিরদিয়া থেকে ৫০ পিস ইয়াবা সহ এক মাদক ব্যবসায়ী আটক ভালুকায় গর্ভপাতের ঔষধ খাইয়ে গৃহবধূর মৃত্যু, স্বামী-শাশুড়ি আটক *ভালুকায় লাভেলো আইসক্রিম কারখানায় শ্রমিক আন্দোলন : নারী নেত্রীকে লাঞ্ছনার অভিযোগ* খুলনায় জাতীয় মহিলা সংস্থার উদ্যোগে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে চেক বিতরণ রূপসায় সরকারি রাস্তার কাজ নিয়ে সংঘর্ষে শিক্ষার্থী সহ ৭জন গুরুতর জখম খুলনার রূপসায় বিএনপির নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত ‎ ‎শহিদুল্লাহ্ আল আজাদ. স্টাফ রিপোর্টারঃ ‎ ‎খুলনা রূপসায় ২১ আগষ্ট বিকালে পূর্ব রূপসা ঘাটে রূপসা উপজেলা বিএনপি ও সকল সহযোগী সংগঠন আয়াজিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করায় বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে স্বাগত জানিয়ে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় নির্বাচনী জনসভায় কেন্দ্রীয় বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন বিএনপি হলো একমাত্র স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের রক্ষা কবচ। পি আর পদ্ধতির মাধ্যমে একটি রাজনৈতিক দল বিদায়ী আওয়ামীলীগকে পুনর্বাসিত করতে চায়।আওয়ামীলীগের মত মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে জনগনকে ধোকা দেওয়ার চেষ্টা করলে আন্দোলনের মাধ্যমে দাঁত ভাঙ্গা জবাব দেওয়া হবে। একটি রাজনৈতিক দলকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন ৫ আগষ্ট পূর্ববর্তী সময়ে তাদের কোনো রাজনীতি জনগন দেখতে পায়নি। এখন তারা জনগনকে ধোকা দিয়ে ভোটের আশায় জনগনের মগজ ধোলাইয়ের অপচেষ্টা করছে। তিনি আরও বলেন যদি আওয়ামীলীগকে নিষিদ্ধ করতে হয় তাহলে বিচারিক পদ্ধতির মাধ্যমে নিষিদ্ধ করতে হবে। নির্বাচনের সময় যতই এগিয়ে আসছে ততই একটি রাজনৈতিক মহল বিভিন্ন অযাচিত ইস্যু নিয়ে সরকার বিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হচ্ছে। তিনি বলেন পি আর পদ্ধতি সম্পর্কে বাংলাদেশের অধিকাংশ জনগন তথা ভোটার অবগত নন। এ কারনে প্রচলিত পদ্ধতিতেই নির্বাচন বাঞ্ছনীয়। সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা জেলা বিএনপির আহবায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু,খুলনা জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পি,জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু,মোল্যা খায়রুল ইসলাম,তৈয়েবুর রহমান, জিএম কামরুজ্জামান টুকু,এনামুল হক সজল। রূপয়া উপজেলা বিএনপির আহয়বাক মোল্যা সাইফুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিকের পরিচালনায় বক্তৃতা করেন খুলনা জেলা যুবদল আহবায়ক ইবাদুল হক রুবায়েদ,জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল আহবায়ক আতাউর রহমান রুনু, জেলা শ্রমিকদল সভাপতি উজ্জল কুমার সাহা, জেলা যুবদল সদস্য সচিব শেখ নাজিমুজ্জামান জনি,জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল সদস্য সচিব আব্দুল মান্নান মিস্ত্রি, জেলা কৃষকদল সভাপতি কবীর শেখ, সাধারন সম্পাদক মোঃ আবু সাঈদ শেখ, জেলা যুবদল যুগ্ম আহবায়ক গোলাম মোস্তফা তুহিন, জেলা মহিলা দল সদস্য সচিব সেতারা বেগম,খুলনা জেলা জাসাস সদস্য সচিব এ, কে আজাদ আমিন,জেলা তাঁতীদল সদস্য সচিব শেখ মাহমুদ আলম লোটাস। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি সদস্য শেখ আঃ রশিদ,আনিসুর রহমান, আরিফুর রহমান,নাজমুস সাকিব পিন্টু,মোল্যা রিয়াজুল ইসলাম,এনামুল কবীর, এম এ সালাম,আছাফুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক বিকাশ মিত্র,যুগ্ম আহবায়ক আবুল কালাম গোলদার,রবিউল ইসলাম রবি,রয়েল আজম, মহসিন জমাদ্দার,ইলিয়াস হোসেন,হুমায়ুন কবীর,এসএম আঃ মালেক,মহিউদ্দিন মিন্টু,দিদারুল ইসলাম, খান আনোয়ার হোসেন, আজিজুর রহমান, মিকাইল বিশ্বাস,শেখ আবু সাঈদ,শরিফুল ইসলাম বকুল,শাহাবুদ্দিন ইজারাদার,জেলা মহিলা দল নেত্রী শাহনাজ ইসলাম, উপজেলা যুবদল আহবায়ক শফিকুল আলম বাচ্চু,সদস্য সচিব রুবেল মীর,বিএনপি নেতা খন্দকার শরিফুল ইসলাম,আজিজুল ইসলাম নন্দু,জিয়াউল ইসলাম বিশ্বাস,শামীম আহম্মেদ জমাদ্দার,বিএনপি নেতা এ্যাড তাফসিরুজ্জামান, বাশির আহম্মেদ,হাকিম কাজী, বাদশা জমাদ্দার, ফিরোজ মাহমুদ,যুবদল নেতা মমিনুর রহমান সাগর,জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বনি আমিন সোহাগ, সৈয়দ নিয়ামত আলী,শামীম হাসান, হাফেজ জাহিদুল ইসলাম,সৈয়দ মাহমুদ আলী,জাহিদুল ইসলামর রবি,ফ,ম মনিরুল ইসলাম,মুন্না সরদার, আলিম খান, মাঈনুল হাসান, কাজী জাকারিয়া, সাজ্জাত হোসেন,মাসুদ খান,শাহ জামান প্রিন্স,তরিকুল ইসলাম রিপন,কামরুজ্জামান নান্টু, জহিরুল হক শারাদ,ইসরাইল বাবু,আবু সাঈদ,রনি লস্কর,খালিদ লস্কর,ওলিয়ার রহমান,কেরামত আলী প্রমূখ।

মাসব্যাপী ইসলামি বইমেলা শুরু

Reporter Name / ১৩৩ Time View
Update : রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

পবিত্র কোরআন ও হাদিস ছাড়াও দেশে প্রকাশিত ইসলামি বইয়ের বৈচিত্র্য ও সংখ্যা প্রচুর। সেসব বইয়ের সঙ্গে বিদেশি প্রকাশকদের প্রকাশনা নিয়ে বিশাল আয়তনে ইসলামি বইয়ের মেলা শুরু হলো আজ শনিবার জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের পূর্ব প্লাজা ও সানের সড়কে। সিরাতুন নবী (সা.) হিজরি ১৪৪৭ উপলক্ষে মাসব্যাপী এই ইসলামি বইমেলার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

আজ বিকেলে বায়তুল মোকাররম মসজিদের পূর্ব প্লাজার সামনে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ভবনসংলগ্ন সড়কে মঞ্চ করে আয়োজন করা হয়েছিল উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। এ সড়কের দুই পাশ দিয়ে ছাউনি দিয়ে তৈরি করা হয়েছে মেলার কাঠামো। স্টলগুলোতে সাজসজ্জার কাজ চলছিল। প্রথম দিনের বইমেলায় যেমন হয়। তবে মসজিদের দোতলার পূর্ব প্লাজার বেশির ভাগ স্টলেই বইপুস্তক সাজানো হয়েছে। প্লাজার দক্ষিণ প্রান্তে রয়েছে বিদেশি প্রকাশনীর স্টল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানায়, এবারই প্রথম বিদেশি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান মেলায় অংশ নিয়েছে। লেবানন, মিসর ও পাকিস্তানের মোট চারটি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান এসেছে এবার। মেলায় মোট স্টল রয়েছে ১৭৯টি। অংশ নিয়েছে ১৫০টি প্রকাশনা ও বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান। মেলা চলবে আগামী ১২ অক্টোবর পর্যন্ত। প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ১০টা এবং ছুটির দিনে সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মেলা খোলা থাকবে।

পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছিল উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। তিলাওয়াত করেন জাতীয় মসজিদের মুয়াজ্জিন কারী হাবিবুর রহমান। পরে নাত–এ রাসুল পরিবেশন করেন ওয়াহিদুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসেবে মেলার উদ্বোধন করে অন্তর্বর্তী সরকারের ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, ধর্মচর্চা ও ইসলামি মূল্যবোধ উজ্জীবিত করতে এই বইমেলা তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, ‘গত ৩০ বছরে আমাদের দেশে আরবি থেকে বাংলায় অনুবাদের ক্ষেত্রে উচ্চমানের অগ্রগতি হয়েছে। শুধু পবিত্র কোরআন বা হাদিসের অনুবাদই নয়, আরবি ভাষায় বিশ্বের বিখ্যাত পণ্ডিতদের বিভিন্ন বিষয়ের বই এবং আরবি সাহিত্যের প্রচুর অনুবাদ করেছেন আমাদের তরুণ আলেমরা। এই অনুবাদ আমাদের বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে, নতুন মাত্রা দিয়েছে। সেসব বই পাওয়া যাবে এই মেলায়। এর পাশাপাশি বিদেশি প্রকাশকেরা অংশ নেওয়ায় মেলার বৈচিত্র্য ও গুরুত্ব আরও বেড়েছে। আগামী বছরগুলোতে যেন আরও বেশি সংখ্যায় বিদেশি প্রকাশকেরা মেলায় অংশ নেন, সেই চেষ্টা করা হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আবদুস সালাম খানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এ কে এম আখতার হোসেন প্রামাণিক। বাংলাদেশের প্রকাশকদের পক্ষে আহমদ রফিক, বিদেশিদের মধ্যে লেবাননের প্রকাশক হিশাম আবদুর রহিম ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সচিব ইসমাইল হোসেন বক্তব্য দেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে মিসরের রাষ্ট্রদূত উমর ফাহমি অনুষ্ঠানের উপস্থিত থাকলেও তিনি বক্তব্য দেননি। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ফাউন্ডেশনের প্রকাশনা বিভাগের সম্পাদক খলিলুর রহমান। উদ্বোধনের পর অতিথিরা সবাই স্টলগুলো ঘুরে দেখেন।

উদ্বোধনের পর সন্ধ্যায় কিছু কিছু বেচাকেনা শুরু হয়েছিল। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের স্টল থেকে প্রাচ্যবিদদের ইংরেজি ভাষায় ইসলাম চর্চা বইটি কিনছিলেন সাফায়েত তৌসিফ। তাঁর বাসা পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়া। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আরবি ভাষা ও সাহিত্যে এমফিল করছেন। তাঁর গবেষণার কাজে লাগবে এমন বই খুঁজতেই মেলায় এসেছেন বলে জানালেন। মেলায় বিশেষ কমিশন দিচ্ছে প্রকাশনীগুলো। ইসলামিক ফাউন্ডেশন তাদের বইতে সর্বনিম্ন  ৪০ থেকে সর্বোচ্চ ৭০ ভাগ পর্যন্ত কমিশন দিচ্ছে। এই মেলায় কমিশনের ক্ষেত্রে কোনো বাঁধাধরা নিয়ম নেই। প্রকাশকেরা তাঁদের সুবিধা অনুসারে সর্বনিম্ন ২৫ থেকে বিভিন্ন হারে কমিশন দিয়ে বই বিক্রি করছেন।

রাহনুমা প্রকাশনীর ব্যবস্থাপক আবু সুফিয়ান জানালেন, তাঁদের প্রকাশনীর বয়স প্রায় ১৩ বছর। তাঁরা মূলত ইসলামি ভাবধারার ফিকশনধর্মী বই বেশি প্রকাশ করেন। সামাজিক উপন্যাস, অ্যাডভেঞ্চার, ভ্রমণকাহিনি মিলিয়ে দুই শতাধিক বই প্রকাশ করেছেন তাঁরা। ইসলামি আইন, ফিকাহ ও গবেষণাভিত্তিক বই প্রকাশ করে ইসলামিক ল’ রিসার্চ অ্যান্ড লিগ্যাল এইড নামের প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানটি। তাদের বিপণন ব্যবস্থাপক সরাফত খান জানালেন, তাঁরা একটি মাসিক সাময়িকীও প্রকাশ করে ইসলামি আইন বিষয়ে। প্রথম দিন সন্ধ্যায় মেলা শুরু হয়েছে। সে কারণে ক্রেতার উপস্থিতি বিশেষ ছিল না। সাধারণ পাঠক ছাড়াও এই মেলার বইয়ের নির্দিষ্ট ক্রেতা আছে। তারা মেলায় এলে বেচাকেনা জমে উঠবে বলেই আশা করছেন প্রকাশকেরা।


More News Of This Category

খুলনার রূপসায় বিএনপির নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত ‎ ‎শহিদুল্লাহ্ আল আজাদ. স্টাফ রিপোর্টারঃ ‎ ‎খুলনা রূপসায় ২১ আগষ্ট বিকালে পূর্ব রূপসা ঘাটে রূপসা উপজেলা বিএনপি ও সকল সহযোগী সংগঠন আয়াজিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করায় বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে স্বাগত জানিয়ে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় নির্বাচনী জনসভায় কেন্দ্রীয় বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন বিএনপি হলো একমাত্র স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের রক্ষা কবচ। পি আর পদ্ধতির মাধ্যমে একটি রাজনৈতিক দল বিদায়ী আওয়ামীলীগকে পুনর্বাসিত করতে চায়।আওয়ামীলীগের মত মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে জনগনকে ধোকা দেওয়ার চেষ্টা করলে আন্দোলনের মাধ্যমে দাঁত ভাঙ্গা জবাব দেওয়া হবে। একটি রাজনৈতিক দলকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন ৫ আগষ্ট পূর্ববর্তী সময়ে তাদের কোনো রাজনীতি জনগন দেখতে পায়নি। এখন তারা জনগনকে ধোকা দিয়ে ভোটের আশায় জনগনের মগজ ধোলাইয়ের অপচেষ্টা করছে। তিনি আরও বলেন যদি আওয়ামীলীগকে নিষিদ্ধ করতে হয় তাহলে বিচারিক পদ্ধতির মাধ্যমে নিষিদ্ধ করতে হবে। নির্বাচনের সময় যতই এগিয়ে আসছে ততই একটি রাজনৈতিক মহল বিভিন্ন অযাচিত ইস্যু নিয়ে সরকার বিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হচ্ছে। তিনি বলেন পি আর পদ্ধতি সম্পর্কে বাংলাদেশের অধিকাংশ জনগন তথা ভোটার অবগত নন। এ কারনে প্রচলিত পদ্ধতিতেই নির্বাচন বাঞ্ছনীয়। সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা জেলা বিএনপির আহবায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু,খুলনা জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পি,জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু,মোল্যা খায়রুল ইসলাম,তৈয়েবুর রহমান, জিএম কামরুজ্জামান টুকু,এনামুল হক সজল। রূপয়া উপজেলা বিএনপির আহয়বাক মোল্যা সাইফুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিকের পরিচালনায় বক্তৃতা করেন খুলনা জেলা যুবদল আহবায়ক ইবাদুল হক রুবায়েদ,জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল আহবায়ক আতাউর রহমান রুনু, জেলা শ্রমিকদল সভাপতি উজ্জল কুমার সাহা, জেলা যুবদল সদস্য সচিব শেখ নাজিমুজ্জামান জনি,জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল সদস্য সচিব আব্দুল মান্নান মিস্ত্রি, জেলা কৃষকদল সভাপতি কবীর শেখ, সাধারন সম্পাদক মোঃ আবু সাঈদ শেখ, জেলা যুবদল যুগ্ম আহবায়ক গোলাম মোস্তফা তুহিন, জেলা মহিলা দল সদস্য সচিব সেতারা বেগম,খুলনা জেলা জাসাস সদস্য সচিব এ, কে আজাদ আমিন,জেলা তাঁতীদল সদস্য সচিব শেখ মাহমুদ আলম লোটাস। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি সদস্য শেখ আঃ রশিদ,আনিসুর রহমান, আরিফুর রহমান,নাজমুস সাকিব পিন্টু,মোল্যা রিয়াজুল ইসলাম,এনামুল কবীর, এম এ সালাম,আছাফুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক বিকাশ মিত্র,যুগ্ম আহবায়ক আবুল কালাম গোলদার,রবিউল ইসলাম রবি,রয়েল আজম, মহসিন জমাদ্দার,ইলিয়াস হোসেন,হুমায়ুন কবীর,এসএম আঃ মালেক,মহিউদ্দিন মিন্টু,দিদারুল ইসলাম, খান আনোয়ার হোসেন, আজিজুর রহমান, মিকাইল বিশ্বাস,শেখ আবু সাঈদ,শরিফুল ইসলাম বকুল,শাহাবুদ্দিন ইজারাদার,জেলা মহিলা দল নেত্রী শাহনাজ ইসলাম, উপজেলা যুবদল আহবায়ক শফিকুল আলম বাচ্চু,সদস্য সচিব রুবেল মীর,বিএনপি নেতা খন্দকার শরিফুল ইসলাম,আজিজুল ইসলাম নন্দু,জিয়াউল ইসলাম বিশ্বাস,শামীম আহম্মেদ জমাদ্দার,বিএনপি নেতা এ্যাড তাফসিরুজ্জামান, বাশির আহম্মেদ,হাকিম কাজী, বাদশা জমাদ্দার, ফিরোজ মাহমুদ,যুবদল নেতা মমিনুর রহমান সাগর,জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বনি আমিন সোহাগ, সৈয়দ নিয়ামত আলী,শামীম হাসান, হাফেজ জাহিদুল ইসলাম,সৈয়দ মাহমুদ আলী,জাহিদুল ইসলামর রবি,ফ,ম মনিরুল ইসলাম,মুন্না সরদার, আলিম খান, মাঈনুল হাসান, কাজী জাকারিয়া, সাজ্জাত হোসেন,মাসুদ খান,শাহ জামান প্রিন্স,তরিকুল ইসলাম রিপন,কামরুজ্জামান নান্টু, জহিরুল হক শারাদ,ইসরাইল বাবু,আবু সাঈদ,রনি লস্কর,খালিদ লস্কর,ওলিয়ার রহমান,কেরামত আলী প্রমূখ।

bdit.com.bd